বিকাশবিকাশ অ্যাপস

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা – বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা

অনেকের মনে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট নিয়ে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে |  এই পোস্টটিতে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্যাদি প্রদান করা হবে |  এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত একটি সঠিক ধারণা পাবেন |  এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় ,  বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা , বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট দিয়ে কি কি কাজ করা যায় এই সম্পর্কে |  এবং কিভাবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর জন্য আবেদন করবেন সেই লিঙ্ক এবং  বিকাশ অ্যাপস এর লিংক সাথে 20 টাকা বোনাস লিংক আপনি এই পোস্টটিতে পেয়ে যাবেন | 

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম – অনলাইনে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

বিকাশ অ্যাপস ডাউনলোড – Bkash apps ডাউনলোড করুন

মেয়েদের ছবি ডাউনলোড- সুন্দরী মেয়েদের ইমেজ ডাউনলোড

ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপস – ভিডিও ডাউনলোড করার অ্যাপস

মার্চেন্ট একাউন্ট বলতে কি বুঝায় ? 

মার্চেন্ট  শব্দটি হল একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হচ্ছে ব্যবসা/বাণিজ্য |  অর্থাৎ মার্চেন্ট একাউন্ট বলতে যেটা বুঝায় সেটি হলো আপনার একটি বাণিজ্যিক একাউন্ট | যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসায়ী  লেনদেন  কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন | সাধারণত মার্চেন্ট একাউন্ট কোন ব্যাংক থেকে প্রদান করা হয় তার লেনদেনের জন্য | 

 ব্যাংকে সাধারণত দুই প্রকারের  একাউন্ট হয় | পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট এবং কারেন্ট একাউন্ট | কারেন্ট একাউন্ট বলতে মার্চেন্ট একাউন্ট কে বোঝানো হয় |  বাংলাদেশের সকল ব্যাংক মার্চেন্ট একাউন্ট প্রদান করে |  অর্থাৎ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট তৈরি করা হয় সেটি হচ্ছে মার্চেন্ট একাউন্ট |  আপনি যদি ব্যাংকে একটি একাউন্ট খুলেন তাহলে আপনাকে একটি পার্সোনাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দেওয়া হবে |   আপনি যদি বাণিজ্য করার জন্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন তাহলে আপনাকে একটি কারেন্ট একাউন্ট তৈরি করে দেয়া হবে | 

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা

  • যেহেতু মার্চেন্ট অর্থাৎ বাণিজ্য শুধু বাণিজ্যিক একাউন্টে অনেক সুবিধা রয়েছে | তবে ব্যাংকের মার্চেন্ট একাউন্ট এর   ফ্রী অনেক বেশি হয় |  তুলনামূলক বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর কোন প্রকারের চার্জ দিতে হয় না | 

  • বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টে আপনি  2 লক্ষ টাকার বেশি আপনার একাউন্টে রাখতে পারবেন না |  মার্চেন্ট একাউন্টে আপনি দুই লক্ষের বেশি টাকা আপনার মার্চেন্ট বিকাশ একাউন্টে রাখতে  পারবেন | 
  • আপনি যদি বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট দিয়ে সেন্ড মানি /   বিল প্রদান করেন সে ক্ষেত্রে আপনার টাকার উপর কিছু অতিরিক্ত ফি  প্রদান করতে হবে |    মার্চেন্ট একাউন্ট এর মাধ্যমে টেবিল এবং সেন্ড মানি করতে কোন প্রকারের অতিরিক্ত ফি  দেওয়ার প্রয়োজন হয়না | 
  • আপনি আপনার ব্যবসার জন্য একসাথে দুই লক্ষ টাকার বেশি ও বিল  প্রধান অথবা সেন্ড মানি / ক্যাশ আউট করতে পারবেন কিন্তু পার্সোনাল একাউন্ট থেকে এত বেশি পরিমাণ মানিট্রান্সফার আপনি করব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থান *তে পারবেন না | 
  •  লেনদেন  এর ক্ষেত্রে কোন প্রকারের  লিমিটেশন নাই আপনি যখন খুশি তখন  মার্চেন্ট  একাউন্টের মাধ্যমে টাকা টান্সফার করতে পারবেন | 

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে  কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন ? 

যেহেতু এটা একটি বাণিজ্যিক একাউন্ট সেহেতু আপনার কিছু তথ্যাদি তাদের কাছে প্রদান করতে হবে নিচের তথ্যগুলো আপনাকে প্রদান করতে হবে |  আপনি নিচের লিংক পাবেন এই লিংকটিতে যদি ক্লিক করেন তাহলে আপনি চিত্রের মত একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন এইখানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী দিয়ে বিকাশ মার্চেন্ট  ফর্ম  ফিলাপ করুন  | 

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা , বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম,বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট চার্জ,বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কি , মার্চেন্ট একাউন্ট

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানেরনাম

আপনি কোন বিষয়ে আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি জন্য মার্চেন্ট একাউন্টে নিতে চান সেই প্রতিষ্ঠানটির নাম বক্সটিতে প্রদান করতে হবে | 

ওয়েব ঠিকানা (যদি থাকে)

 আপনার প্রতিষ্ঠান যদি একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক বক্সটিতে প্রদান করুন | যদি কোন ওয়েবসাইট না থাকে তাহলে এই ফরমটি পূরণ করার দরকার নেই আপনি পরবর্তী বক্সটি পূরণ করুন | 

কার্যালয়-এর ঠিকানা

 আপনার প্রধান কার্যালয় যেখানে অবস্থিত আপনি সেই খানের ঠিকানাটি এই  বক্সটিতে প্রদান করুন | কিছু ক্ষেত্রে বিকাশ আপনাদের সাথে যোগাযোগের জন্য আপনার প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনি সঠিক ঠিকানাটি প্রদান করুন | 

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ধরন

আপনার ব্যাবসায়িক প্রোতিষ্ঠানটির কোন ধরনের সেই বিষয়ে প্রায় বক্সটিতে লেখুন |  যদি আপনার প্রতিষ্ঠানে একাধিক বিষয়ের উপর  পণ্য থেকে থাকে তাহলে সব গুলোর কথা উল্লেখ করুন | 

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থান 

আপনি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান বর্তমান ঠিকানা টা এই বক্সে প্রদান করুন |  সবসময় মনে রাখবেন বিকাশ আপনার সাথে যে কোন সময়ে মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে আপনার অফিসে যোগাযোগ করতে পারে সে ক্ষেত্রে সঠিক ঠিকানা প্রদান করুন | 

প্রতি মাসে পেমেন্ট গ্রহনের পরিমাণ (আনুমানিক)

 আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে কি আপনি বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করেন সেই বিষয়ে আনুমানিক ধারণা এই বক্সটিতে প্রদান করুন | 

যিনি মার্চেন্ট হতে চান তার নাম

 আপনার প্রতিষ্ঠান নামে রেজিস্ট্রেশন করা তার নামটি এই বক্সটিতে উল্লেখ করুন |  মনে রাখবেন আপনি এই বক্তৃতা দেবেন তার জাতীয় পরিচয়পত্র /পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স  থাকতে হবে | 

ফটো আইডি নাম্বার (জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টআইডি/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স)

জাতীয় পরিচয়পত্র পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর যেকোন একটির নাম্বার আপনি এই বক্সটিতে প্রদান করুন মনে রাখবেন আপনি মার্চেন্ট হিসেবে যার নাম দিয়েছেন শুধুমাত্র তারাই তথ্যগুলো এখানে প্রদান করুন | 

মেয়াদসহ ট্রেড লাইসেন্স নাম্বার

আপনার একটি ট্রেড লাইসেন্স/  বাণিজ্যিক লাইসেন্স থাকতে হবে এবং এই লাইসেন্স ট্রেন নাম্বার আপনি প্রদান করুন | 

ইমেইল 

 অবশ্যই মার্চেন্টের একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং এই ইমেইল একাউন্ট বক্সটিতে প্রদান করুন | 

সর্বশেষে আপনি একটি ক্যাপশনদেখতে পাবেন যেখানে একটি সংখ্যা বসাতে হবে |  আপাতত সংখ্যা যোগ করে বক্সটিতে বসান | জমা দিন বাটনটিতে ক্লিক করুন আপনার একাউন্টে সর্বোচ্চ 48 ঘন্টার ভিতরে একটিভ হয়ে যাবে| 

এই ছিল বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট নিয়ে সমস্ত তথ্যাবলী |   আপনি নিশ্চয়ই এখন বুঝে ফেলেছেন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা এবং কিভাবে মার্চেন্ট একাউন্ট  এর জন্য আবেদন করতে হয় |  আপনার সমস্ত ডকুমেন্টস যদি ঠিক থাকে তাহলে সর্বোচ্চ 48 ঘন্টার ভিতরে আপনার একাউন্ট একটিভ  করা  হবে |এ সম্পর্কিত আরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আপনি নিজে কমেন্টস করতে পারেন | ইমেইলের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন | 

 বিকাশ থেকে থেকে টাকা  কমিশন পাবার জন্য নিচের লিঙ্ক থেকে বিকাশ অ্যাপস টি ইন্সটল করুন |

ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপস – ভিডিও ডাউনলোড করার অ্যাপস

sunny leone Laila main Laila Song download video, audio & DJ

ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপস – ভিডিও ডাউনলোড করার অ্যাপস

Leave a Reply